বিজ্ঞপ্তি:
জাগো বাঙ্গালী টোয়েন্টিফোর ডট কমে আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
প্রথম বার এক্সপ্রেস ট্রেনে শুকনো মরিচ এলো বেনাপোলে, নতুন উদ্যোগ ভারতীয় রেলের  যশোরের ঝিকরগাছায় বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যুকে পুঁজি করে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজানুরের এতিমদের মাঝে কুরআন শরীফ, খাবার , মাস্ক ও গাছের চারা বিতরণ শার্শার বারপোতা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের পেনসনের অর্থ না পাওয়ায় মৃত্যু বেনাপোল ফেনসিডিল সহ যুবক আটক শার্শা উপজেলার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের জন্য সরকারি অনুদান দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট বেনাপোল প্রেসক্লাবের সদস্য ও মানবকন্ঠের সাংবাদিক ফারুক করোনা মুক্ত বেনাপোলে কাস্টমে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক পূরণ, রাজস্ব আয়ে ধস সাড়ে ৩ মাস পর আন্দোলনের মুখে বেনাপোল দিয়ে ভারতে রফতানি শুরু বেনাপোল থানার অভিযানে ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ এক যুবক গ্রেফতার
১২ লাখ টাকা দাবী:এসআই মিজানের চাঁদাবাজির শিকার হলেন সরকারী কর্মচারী:

১২ লাখ টাকা দাবী:এসআই মিজানের চাঁদাবাজির শিকার হলেন সরকারী কর্মচারী:

বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: এবার বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের চাঁদাবাজির শিকার হলেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী বড় আঁচড়া গ্রামের আলী মোল্লার পুত্র বেনাপোল পৌরসভার নিরীহ সরকারী কর্মচারী রিয়ন কবীর(৪৫)।

অপর দিকে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন সাদিপুর গ্রামের মোছাঃ ফুকদির দুই সন্তান মোরশেদ(২৫) ও হয়রত আলী(৪০)এসআই মিজান কর্তৃক চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন। হযরত আলীর স্ত্রী বলেন,আমার স্বামী ও দেবরকে হেরোইন পাঁচারের মিথ্যা মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবী করে এসআই মিজান। পরে অনেক দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা বিনিময়ে বিষয়টি রফা দফা করা হয়।

চাঁদাবাজির শিকার রিয়ন সুত্রে জানা যায় বিগত(১৭/১১/২০১৮ইং) তারিখে আনুমানিক রাত ২ টার সময় আমার বাড়িতে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজান ও তার সাথে থাকা দুই জন পুলিশ সিপাহীকে নিয়ে আমার বাড়িতে হাজির হয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। আমি উপস্থিত হলে এসআই মিজান আমাকে বলেন তোর নামে থানায় মামলার ওয়ারেন্ট আছে বলে আমাকে গেইট খুলতে বলে। আমি তখন এসআই মিজানকে বলি আমি বেনাপোল পৌর সভার সরকারী কর্মচারী আমার নামে কোন মামলা নেই।

আমি কোন অপরাদের সাথে জড়িত নেই, তার পরেও আমার নামে যদি কোন মামলার ওয়ারেন্ট থেকে থাকে তবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে উচ্চ আদালত ও নিয়োগ প্রাপ্ত থেকে অনুমতি লাগবে।তখন এসআই মিজান আমাকে বলেন আমি আদালত আমিই নিয়োগ কর্মকর্তা সব আমি আমার কোন অনুমতি লাগে না। আমি তাকে আরও বলি আপনি ওয়ারেন্ট কপি আমাকে দেখান তিনি সাদা কাগজে লেখা আমার নাম দেখিয়ে বলে তুই থানায় চল। এই বলে আমার বাড়ির গেইট খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে।

আমি গেইট খুলতে অস্বীকৃতি জানালে এসআই মিজান প্রচন্ড শব্দে গেইটে ধাক্কাতে থাকে তখন আমি ভয় পেয়ে গেইট খুলে দিলে এসআই মিজান আমার হাতে হ্যান্ডক্যাফ পড়িয়ে আমার পরিবারের সামনেই অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে টানতে টানতে মেইন রাস্তার ওখানে রেল লাইনের পাশে পুলিশ পিকআপ ভ্যানে উঠায়ে থানায় নিয়ে যায়। তখন আমার কাছে দশ লক্ষ টাকা মুক্তিপন চাই এবং আমার পরিবারকে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। আমি টাকা দিতে রাজি না হলে এসআই মিজান আমাকে মেরে ফেলার হুমকিসহ অস্ত্র ও ইয়াবা মামলায় চালান দেওয়ার ভয় দেখায়।

আমাকে আরো বলেন তোর পৌর সভার চাকরি থাকবে না বলেও ভয় দেখায়। এসআই মিজান আরো বলেন ওসি সাহেবের নির্দেশে আমি এই টাকা চাচ্ছি কারো ভয় করার সময় নেই। তার পরেও াকার জন্য আমার বাবাকে চাপ দিতে থাকেন তখন আমার বাবা নিরুপায় হয়ে ওই রাতে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ধার করে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যবস্থা করে এসআই মিজানের হাতে তুলে দেয়। এসআই মিজান ভোর রাতে আমাকে ছেড়ে দেয়।
ভুক্তভোগী রিয়ন জানান এই অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ বিচারের দাবী করছি ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি।

বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের মুঠো ফোনে বারবার কল দিলে তিনি ফোন রিছিভ করে নাই।

যশোরের নাভারণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান জানান, বিষয়টি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যদি ঘটনার সত্যতা মেলে তবে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই যারা দোষী তারা আমার কাছ থেকে কোন ছাড় পাবে না।

লিডনিউজ

Comments are closed.




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Developed BY: AMS IT BD