বিজ্ঞপ্তি:
জাগো বাঙ্গালী টোয়েন্টিফোর ডট কমে আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ আফিল উদ্দিন এমপির উদ্যোগে বেনাপোল গাজীপুর গ্রামে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ বেনাপোল বন্দর বন্ধ থাকায় বর্ডারে এখন ভূতুরে নীরবতা    বেনাপোল ফ্রেন্ড’স অরগানাইজেশন-৯৮ এর অসহায় দূস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বন্টন বেনাপোলে অসহায়দের খাদ্য বিতরণ করলেন ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি  একমাত্র ভরসা প্রধানমন্ত্রীর অনুদান, করোনায় শার্শাতে দেখা মেলেনি হেভিওয়েট নেতাদের  উদ্ধার করা মাদক আত্মসাৎ অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ ক্লোজড! উদ্ধার করা মাদক আত্মসাৎ অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ ক্লোজড! বেনাপোল থানার এসআই পিন্টু লাল দাসকে বদলিতে সাধারন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ জাগোবাঙ্গালী২৪.কম পত্রিকায় নির্বাহী-সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন মোঃ আলী হোসেন বাচ্চু বেনাপোলে পুলিশের অভিযান ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার।
উদ্ধার করা মাদক আত্মসাৎ অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ ক্লোজড!

উদ্ধার করা মাদক আত্মসাৎ অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ ক্লোজড!

শার্শা (যশোর): যশোরের শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আতাউর রহমানসহ পাঁচ পুলিশকে ক্লোজড করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য আত্মসাৎর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। সোমবার খুলনার ডিআইজি ড. মুহাম্মদ মহিদ উদ্দিনের এক অফিস আদেশে (স্মারক নম্বর-জিএ-০২/৩১০৬/৭) তাদের ক্লোজড করা হয়। ক্লোজড হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন, থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল হাসান, সহ-উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু বক্কর সিদ্দিক, কনস্টেবল আব্দুল মান্নান এবং ইকবাল হোসেন।

সোমবার দুপুরে আদেশ আসার পর বিকালে তাদের ক্লোজড করা হয়। তবে জেলা পুলিশ থেকে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে শার্শা থানার ওসি মু. আতাউর রহমানকে ক্লোজড করে খুলনা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ)-এ সংযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসআই মো. আবুল হাসান, এএসআই আবু বক্কর সিদ্দিক, কনস্টেবল আব্দুল মান্নান ও ইকবাল হোসেনকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।পুলিশের একটি সূত্র বলছে, ওসি ও তার সহযোগীরা উদ্ধার করা ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল ও ১৬ কেজি গাঁজা আত্মসাৎ করেছেন। সেই কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

তবে যশোর জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, একটি মামলার আলামত সঠিকভাবে সংগ্রহ না করার কারণে ওই পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শার্শা থানার একটি সূত্র জানান, এস আই আবুল হাসান, অফিসার ইনচার্জকে না জানিয়ে গভীর রাতে মাল খানা থেকে মুন্সি আব্দুল মান্নানের সহযোগিতায় একটি মামলার আলামত বের করে নিজ হেফাজতে রাখে। কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই সিদ্দীক বিষয়টি সম্পর্কে অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমানকেও জানায়নি। আলামত আত্মসাৎ ও কর্তব্যে গাফিলতির কারনে তাদের সবাইকে ক্লোজড করা হয়।

লিডনিউজ

Comments are closed.




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Developed BY: AMS IT BD